আম্মাজান আয়েশা (রা) কি বিবাহের পূর্বে বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছেছিলেন?

সূচনা:

রাসুল (ﷺ) এর বিরুদ্ধে নিয়ে উত্থাপিত মিথ্যাচারের অন্যতম একটি মিথ্যাচার হচ্ছে তিনি আম্মাজান আয়েশা (রা) কে তার বাল্যকালে বিবাহ করেছেন। অর্থাৎ রাসুল (ﷺ) বাল্যবিবাহ করেছেন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত পূর্ণাঙ্গ মিথ্যাচার লেখার প্রয়োজন বোধ করছিনা। মিথ্যাচারকারীদের উপর আল্লাহর লা’নত। এই বিষয় নিয়ে ওয়েস্টের ওরিয়েন্টালিষ্ট স্কলার, খ্রিষ্টান মিশনারীর মদদপুষ্ঠ বঙ্গীয় পার্ভাটদের নানান লেখালেখি অনলাইনে পাওয়া যায়।

যাইহোক আম্মাজান আয়েশা (রা) আসলেই বয়ঃসন্ধিকালে সেই সময়ে পৌছেছিলেন কিনা এটা জানার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে হিস্টোরিক্যাল এভিডেন্স। হিস্টোরিক্যাল এভিডেন্স হিসেবে সাইন্টিফিক তথ্য খুব কম পাওয়া যায় কারণ বিজ্ঞান অতীত নিয়ে গবেষণা করেনা। দ্বিতীয়ত অতীতের প্রাপ্ত ধ্বংসাবশেষ ( এক্ষেত্রে কিছু কিশোর/কিশোরীর খুলি) নিয়ে গবেষণা চালালেও একজ্যাক্ট রেজাল্ট জানা যায়না। মোদ্দাকথা বিজ্ঞান হিস্টোরিক্যাল ট্রুথ নির্ণয় করতে পারেনা যেমন সাইন্স এটা প্রমাণ করতে পারবেনা যে স্যার আর্থার কোনান ডয়েল আসলেই শার্লক হোমস এর ক্রিয়েটর ছিলেন। সেক্ষেত্রে হিস্টোরিক্যাল ট্রুথ এর রিলায়াবল সোর্স একটিই হতে পারে তা হচ্ছে টেস্টিমনি বা সাক্ষ্যপ্রমাণ।

Google photo 


ম্যাগনিফায়িং গ্লাসের এক কোণে:

তার আগে সাইন্টিজম এন্ডোর্স করে তাদের জন্য কিছু লেখা প্রয়োজন। বয়ঃসন্ধিকাল সম্পর্কে বিজ্ঞান কি বলে বা বর্তমান সময়ের বয়ঃসন্ধির সময়কাল কত এবং পূর্বে কত ছিলো?

২০১৫ সালে প্রাপ্ত ৯৯৪টি মধ্যযুগীয় খুলি থেকে প্রাপ্ত ডেইটা অনুসারে কিশোর কিশোরীদের বয়সঃসন্ধিকালের বয়স ছিলো ১০-১২ বছরের মধ্যে। গবেষকেরা সময়টা নির্দেশ করেছেন দশম শতাব্দী থেকে শুরু করে সপ্তদশী শতাব্দী পর্যন্ত। [1] এই গবেষণাকে অনেকেই এভাবে ব্যবহার করে যে ” মধ্যযুগীয় খুলিগুলো বলছে তখনকার সময়ের বয়ঃসন্ধির বয়স এবং বর্তমান সময়ের বয়ঃসন্ধির বয়স একই। ” সমস্যা হচ্ছে এই খুলিগুলোর অর্ধেকের বেশিই ষোড়শ শতকের মাঝামাঝি সময়ের। সব মিলিয়ে এপ্রোক্সিমেটলি বলা হয়েছে। এবং সেজন্যই এসব পেপারের কনক্লুশন হচ্ছে সেই সময়কার বয়ঃসন্ধির সময় আধুনিক সময়ের অনুরুপ। খেয়াল করুন এখানে সেই সময় বলতে ঠিক কোন সময়কে বলা হয়েছে। অপরদিকে আরেকটি স্টাডিতে দেখা যায়, প্যালিওলিথিক এবং নিওলিথিক যুগের মেয়েদের মধ্যে ৭-১২ বছরের মধ্যেই বয়ঃসন্ধি শুরু হয়। এই পেপারের কনক্লুশন ও পূর্বের পেপারের উপর বেইজড করে লেখা।[2] সুতরাং ডেইটার বিশ্লেষণ, স্টাডি ডিজাইনের উপর ভিত্তি করে দেখাই যাচ্ছে গবেষণাগুলো যথাসম্ভব মর্ডাণ ডেটার উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ হিস্ট্রির উপাত্ত এখানে নেই যার দ্বারা শক্তপোক্তভাবে কোনো একটা কনক্লুশনে আসা যায়। এছাড়াও কিছু ক্রিটিক পাওয়া যায় যে আগেকার সময়ে নারীদের অপুষ্টি, খাদ্যাভাবের ফলে ঋতু আসতে দেরি হতো সেখানে আগের সময় বয়ঃসন্ধি আগে আসে এমন দাবি করাটা অনুচিত। সমস্যা হচ্ছে এই অপুষ্টি, খাদ্যাভাব নিয়ে যেসকল গবেষণা পাওয়া যায় সেগুলো একটাও অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ের পূর্বের ঘটনা নিয়ে গবেষণা করেনা। সুতরাং ‘আধুনিক’ গবেষণায় কি উঠে এসেছে তা দেড় হাজার বছর আগের সময়ের অবস্থান কে প্রমাণ বা ভুল প্রমাণ কোনোটাই করেনা। আগেই বলেছি হিস্টোরিক্যাল ট্রুথ বের করা সাইন্স এর কাজ নয়। 

টেস্টিমনি: ঐতিহাসিক সত্যতার খোজে: 

তাহলে উপায় কি? সাক্ষ্যপ্রমাণ। আম্মাজান আয়েশা (রা) নিজেই বলেছেন ” কোনো বালিকা নয় বছরে পদার্পন করলে সে ইমরাআ’ (امْرَأَةٌ) অর্থাৎ মহিলা (স্ত্রী) বলে গণ্য হবে। ” [3]

এই সরল স্বীকারোক্তির দ্বারা স্পষ্টতই বোঝা যায়। সেই সময়ে বয়ঃসন্ধির বয়স ছিলো খুবই অল্প।

আম্মাজান আয়েশা (রা) বর্ণনা করেন : (নবীর স্ত্রী) বয়ঃসন্ধিকালে আমি আমার পিতামাতাকে ইসলাম অনুসরণ করতে দেখেছি। [4] আবার বুখারীর সহিহ হাদিসে উঠে এসেছে ’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ছয় বছর বয়সে আমাকে বিবাহ করেন। অতঃপর আমরা (হিজরত করে) মাদ্বীনাহ্য় চলে এলাম এবং হারিস ইবনুল খাযরাজ গোত্রে আশ্রয় নিলাম। এখানে আমি জ্বরে আক্রান্ত হলে আমার মাথার চুল উঠে যায় এবং অল্প কিছু চুল অবশিষ্ট থাকে। ” উল্লেখিত এই বর্ণনাটি প্রমাণ করে যে আয়িশা (রা) রাসুলের সাথে বিবাহের পূর্বেই বয়সঃসন্ধিতে পৌছেছিলেন। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী হঠাৎ করেই আয়িশা (রা) চুল উঠে যায়। সবচেয়ে সাধারণ চুলপড়া বা androgenetic alopecia হয় বয়সঃসন্ধির পরে। সুতরাং স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে উক্ত সময়ে আয়িশা (রা) বয়সঃসন্ধিতে পৌছেছিলেন। [5]এখানে বলে রাখা ভালো বর্ণনায় জ্বরের কথা এসেছে বলে জ্বরেই চুল পড়ে গেছে এমন ভাবার কোনো কারণ নেই, কেননা জ্বরের ফলে সাধারণ hair loss হয়না বরং মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে androgenic alopecia র ফলেই চুল পড়ে যায়।

এই প্রমাণ থেকে আমরা নিম্নলিখিত তথ্যগুলি সংগ্রহ করতে পারি

(1) আয়েশা (রা) অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার প্রচুর চুল পড়তে শুরু করে (বয়ঃসন্ধিকালে)।

(২) কিছুসময় পর তার চুল আবার গজাল।

(3) আয়েশা (রা) বলেছেন যে তার বয়স ছিল 9 বছর যখন বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল এবং এটি সেই সময় যখন তিনি নবী মোহাম্মদ (সাঃ)-এর সাথে থাকতে শুরু করেছিলেন যেমনটি বর্ণনায় বলা হয়েছে:

❝ তখন আমার মা উম্মু রুমান এসে আমাকে উচ্চৈস্বরে ডাকলেন। আমি তার নিকট আসলাম, কিন্তু আমি তার উদ্দেশ্য বুঝতে পারলাম না। তিনি আমার হাত ধরে আমাকে ঘরের দরজায় দাঁড় করিয়ে দেন। আমি তখন সজোরে নিঃম্বাস নিচ্ছিলাম। তিনি পানি নিয়ে তা দ্বারা আমার মুখ ও মাথা মুছে দিলেন, অতঃপর আমাকে ঘরের ভিতরে নিয়ে যান, তখন ঘরের মধ্যে কিছু সংখ্যক আনসারী মহিলা ছিলেন। তারা বললেন, কল্যাণ ও বরকত হোক, ভাগ্য প্রসন্ন হোক। তিনি আমাকে তাদের নিকট সোপর্দ করলেন। তারা আমাকে সুসজ্জিত করেন। দুপুর বেলা হঠাৎ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপস্থিতি আমাকে সচকিত করে। আমার মা আমাকে তাঁর নিকট অর্পণ করেন। তখন আমার বয়স ছিল নয় বছর।❞

এর থেকে বোঝাই যায় আয়িশা ( রা) বিবাহের পূর্বে বয়ঃসন্ধিতে পৌছেছিলেন। উল্লেখ্য চুল পড়ে গিয়ে পুনরায় গজানোর বর্ণণাটি পাওয়া যাবে সহিহ বুখারীর অধ্যায় ৬৩, ৩৮৯৪ নাম্বার হাদিসে।

টেস্টিমনি: ২ জলবায়ু এবং পরিবর্তন: 

সে সময়ের আরব অঞ্চলের জলবায়ু, লোকজন সম্পর্কে জানা যায় যে ৯ বছরে মেয়েদের বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানো খুবই স্বাভাবিক ও নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিলো।


يَعْنِي الْمَهَالِبَةَ امْرَأَةً صَارَت جدة وَهِي بنت ثَمَان عَشْرَةَ سَنَةً وَلَدَتْ لِتِسْعِ سِنِينَ ابْنَةً فَوَلَدَتِ ابْنَتُهَا لِتِسْعِ سِنِينَ ابْنَةً فَصَارَتْ هِيَ جَدَّةً وَهِيَ ابْنَةُ ثَمَانِي عَشْرَ سَنَةً.

আব্বাদ ইবনে আব্বাদ আল-মুহলবি বলেছেন, “আমি মুহলাবাহতে একজন মহিলাকে দেখেছি যিনি ১৮ বছর বয়সে নানি হয়েছেন। তিনি তার নয় বছর বয়সে জন্মদান করেছেন (তার মেয়েকে) এবং তার মেয়ে তার সন্তানকে জন্ম দিয়েছে নয় বছর বয়সে, এভাবেই সেই মহিলা ১৮ বছরে নানি হয়ে গিয়েছেন।” [6]

কিছু জার্মান গাইনোকলজিস্ট তাদের পর্যবেক্ষণলব্ধ উপাত্ত উল্লেখ করেছেন এভাবে , শৈত্য অঞ্চলের মেয়েদের ঋতু শুরু হয় গড়ে ১৪ তে, নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে ১২-১৩, উষ্ণ অঞ্চলে ৮-১০। [7] ২০১৬ সালের এক গবেষণায় বলা হয়েছে “এটি উপসংহারে পৌঁছেছে যে জলবায়ু মেনার্চে বয়সের উপর একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে কারণ গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য খাদ্য শক্তির গ্রহণ বাড়ায়” [8]

সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে উষ্ণ অঞ্চলে বয়ঃসন্ধির বয়স বর্তমান সময়েও কম পাওয়া যাচ্ছে পূর্বে তা আরও কম ছিলো। সুতরাং সেই প্রায় দেড় হাজার বছর আগের সময়কার নারীদের ক্ষেত্রে ৬-৯ বছরের মধ্যে বয়ঃসন্ধিতে পা রাখা অসম্ভব কিছু নয়।

ইতিহাস পর্যালোচনা:

আজকের সমাজ, প্রেক্ষাপট এসকল কিছু পূর্বের সময়ের সাথে একই স্টেজে ছিলো না। প্রথমত, এটা বলা দরকার যে pedophilia নিয়ে modern age এর আগ পর্যন্ত কোন ধারনাই ছিল না। যেমন, দশম শতকের মাঝামাঝি সময়ে আরবের বাইরে বিবাহের বৈধ বয়স ছিল (বাইজেন্টাইন এবং সাসানিদের সাম্রাজ্য) ছেলেদের জন্য ১৪ বছর এবং বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যে মেয়েদের জন্য ১২ বছর এবং সাসানিদের ক্ষেত্রে মেয়েদের আইনি বয়স প্রায় ১৫ বছর বা কখনও কখনও তার কম। [9] Francis Bacon এর যখন Alice Barnham এর সাথে বিয়ে হয়েছিল তখন Bacon চল্লিশ এর দিকে ছিল আর Alice এর বয়স মাত্র ১২ বছর ছিল।[10] Isabella Valois এর যখন Richard II এর সাথে বিয়ে হয় তখন Isabella এর মাত্র ৫/৬ বছর ছিল আর রিচার্ড এর ২৯ বা ৩০। [11]এমনকি ১ থেকে ১.৫ শ বছর আগেও ক্যাথোলিক চার্চ মেয়েদের betrothal age মাত্র ৭ বছর করেছিল [12] বেশিদূর যাওয়া লাগবে না। রবীন্দ্রানাথ এর বিয়েও মৃণালীণী দেবীর সাথে যখন হয়েছিল তখন মৃণালীণীর মাত্র ৯ বছর ছিল। [13]

এছাড়াও আপনি যত পূর্বের ইতিহাস ঘেটে দেখবেন দেখতে পাবেন হিস্টোরিক্যালি বয়ঃসন্ধির সময়, বিয়ের সময় এসবের মধ্যে বর্তমান সময়ের, কালচারের পার্থক্য ব্যাপক। অল্প সময়ে বিয়ে হওয়া, সন্তানের মা হওয়া এসব বিষয় তখনকার সময়ে ছিলো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। সেক্ষেত্রে বর্তমান প্রেক্ষাপটের নানান কালচারাল সমস্যা দেখিয়ে যেসব মস্তিষ্কহীন পার্ভাটরা দাবি করে রাসুল (ﷺ) এবং আম্মাজান আয়েশা (রা) এর বিয়ে অনৈতিক, মোরাল স্ট্যান্ডার্ড এ যায়না এরা মূলত কালচারাল বায়াস এবং প্রেজেন্টিজম ফ্যালাসি তে ভোগে। প্রেজেন্টিজম ফ্যালাসি হলো বর্তমানের প্রেক্ষাপটের কোনো সমস্যা অতীতের ঘটনার উপর এপ্লাই করার বিকৃত চেষ্টা। [14

উপসংহার:

১. বর্তমান সাইন্টিফিক গবেষণাসমূহ দেড় হাজার বছর আগে বয়ঃসন্ধির বয়স কত ছিলো তা প্রমাণ ও করে না ভুল প্রমাণ ও করেনা।

২. হিস্টোরিক্যাল ট্রুথ নির্ণয়ের জন্য সবচেয়ে উত্তম পন্থা হচ্ছে সাক্ষ্যপ্রমাণ।

৩. আয়িশা (রা) এর নিজ স্বীকারোক্তি এবং অন্যান্য হাদিস থেকে প্রমাণিত তিনি বিবাহের পূর্বে বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছেছিলেন।

৪. ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তৎকালীন সময়ে বয়ঃসন্ধির সময়কাল, বিবাহ এবং সন্তান প্রতিপালনের সময়কাল খুবই স্বল্প ছিলো এবং তা ছিলো সম্পূর্ণ সাধারণ ঘটনা।

৫. সুতরাং মস্তিষ্কবিহীন পার্ভাটদের রাসুল (ﷺ) এবং আয়েশা (রা) কে নিয়ে মিথ্যাচার গুলো সম্পূর্ণরুপে ভুল, এর কোনোরুপ সত্যতা নেই।


রেফারেন্স:

১. Lewis, M., Shapland, F., & Watts, R. (2016). On the threshold of adulthood: A new approach for the use of maturation indicators to assess puberty in adolescents from medieval E ngland. American Journal of Human Biology, 28(1), 48-56.

২. Papadimitriou, A. (2016). The evolution of the age at menarche from prehistorical to modern times. Journal of pediatric and adolescent gynecology, 29(6), 527-530.

৩. জামে তিরমিযি, হাদিস ১১০৯, হাসান হাদিস

৪. সুনানে ইবনে মাজাহ, অধ্যায়: ৯ হাদিস ১৮৭৬ সহিহ হাদিস। 

৫. Current Clinical Medicine: Expert Consult [Second edition – Elsevier Inc, 2010], by Shannon Harrison, Melissa Piliang, & Wilma Bergfeld, page 289 – 290)

৬. তাহক্বীক ফি হাদিস আল-খলিফ ২/২৬৭-২৬৮

৭. Bartels, M., Bartels, P., & Ploss, H. H. (1935). Woman: An Historical Gynæcological and Anthropological Compendium.

৮. Sohn, K. (2016). The influence of climate on age at menarche: Augmented with the influence of ancestry. Homo, 67(4), 328-336

৯. Nikolaou, K. (2019). The Byzantines between Civil and Sacramental Marriage. Bulletin de correspondance hellénique moderne et contemporain, (1)

১০.https://en.m.wikipedia.org/wiki/Alice_Barnham

১১. Williams, Deanne (2016). "Isabelle de France, Child Bride". In Martin, Catherine Gimelli; Melehy, Hassan (eds.). French Connections in the English Renaissance. Routledge. p. 28 

১২.https://www.newadvent.org/cathen/01206c.html

১৩.https://en.m.wikipedia.org/wiki/Mrinalini_Devi

১৪. Fischer, David Hackett (1970). Historians’ Fallacies: Toward a Logic of Historical Thought. New York: Harper Torchbooks. P. 139

Comments

Popular

ইনফিনিট রিগ্রেস - অসীমের দিকে প্রত্যাবর্তন