Posts

Showing posts with the label Philosophy of Religion

Refutation of a stupid refutation of paradoxical Sajid part: 2

Image
 রিফিউটেশন অফ দ্য ষ্টুপিড রিফিউটেশন পার্ট-২ ( এপিস্টেমোলজিক্যাল ডিটারমিনিজম, ফ্রি উইল & গড)  আগের পর্ব প্যারাডক্স এবং বায়েজিদ বইতে, চ্যাপ্টার-২ তাকদীর বনাম স্বাধীন ইচ্ছে " এই অধ্যায়ের সারাংশ হলো গড এর foreknowledge এর সাথে ফ্রি উইল কমপ্যাটিবল নয়। যদি গড আগে থেকেই জানেন তবে স্বাধীন ইচ্ছের কোনো অর্থ হয়না এবং এক্ষেত্রে গডের সাথে শিক্ষকের উদাহরণ মিলানো টা ফলস এনালজি। এছাড়াও আমরা সবকিছু স্বাধীনভাবে করলেও আমাদের "ইচ্ছে" কে আমরা ইচ্ছে করতে পারিনা, এক কথায় ফ্রি উইল ইল্যুশন। আবার লিবেটের আশির দশকের এক্সপেরিমেন্ট এবং সমসাময়িক কিছু গবেষণা অনুযায়ী কনশাস সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বেই মস্তিষ্ক তা নির্ধারণ করে ফেলে সুতরাং ফ্রি উইল বলতে কিছু থাকতে পারে না। এছাড়াও আল্লাহ একসাথে সর্বজ্ঞানী কিংবা স্বাধীন ইচ্ছের অধিকারী হতে পারেন না কারণ এ দুটো পরস্পর সাংঘর্ষিক।    Google photo বইটার এই অধ্যায়টি এক নাস্তিকের ইউটিউবার এর ৫ বছর আগের ভিডিও থেকে কপি করা হয়েছে। নিউরোসাইন্টিফিক কেইস গুলোর ক্ষেত্রে দুইটা রেফারেন্স দেয়া হয়েছে। তবে ফিলোসোফিক্যাল আর্গুমেন্টশন তেমন ভ্যালিড নয় বললেই চলে। ডিট...

Refutation of a stupid refutation of Paradoxical Sajid part:-1

Image
 রিফিউটেশন অফ দ্য ষ্টুপিড রিফিউটেশন। ( এক্সিওম, প্রপার্লি বেসিক বিলিভ & গড)  " প্যারাডক্স এবং বায়েজিদ" বইটা লেখা হয়েছে আরিফ আজাদের "প্যারাডক্সিকাল সাজিদ " বইয়ের রিফিউটেশন হিসেবে। যদিও আমি প্যারাডক্সিকাল সাজিদকে প্রেফার করিনা তবে প্যারাডক্সিকাল সাজিদ এর রিফিউটেশন হিসেবে এই বই একেবারে অখাদ্য। প্রতিটি চ্যাপ্টার স্ট্র ম্যান এ ভর্তি। তবে বিগিনারদের অনেকেই এই বই পড়ে খানিক বিভ্রান্তিতে পরতে পারে, সেক্ষেত্রে এই বইয়ের "অতিরিক্ত স্ট্র ম্যান " জনিত অধ্যায় গুলোর সংক্ষিপ্ত রিফিউটেশনের মনস্থির করলাম।  চ্যাপ্টার ১: " একজন অবিশ্বাসীর বিশ্বাস " নামক অধ্যায়ে বিশ্বাস কে নিয়ে ফান করতে গিয়ে বলেছে প্রমাণের ভিত্তিতে বিশ্বাস বলে কিছু হয়না। প্রমাণ এবং বিশ্বাস পরস্পর সাংঘর্ষিক। আবার বলা হয়েছে বিজ্ঞান বিশ্বাসের বস্তু নয়, বিজ্ঞান হচ্ছে ফ্যাক্ট, পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্বাসের বিষয়। এই হচ্ছে এই অধ্যায়ের সারাংশ।   লেখক যে আসলে ফ্যালাসিম্যান এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে প্রতিটি অধ্যায় পড়ার পর বোঝা যায় বইয়ের লেখক এপিস্টেমোলজি সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ। নব্য নাস্তিকদের ফলো আর বিজ্ঞ...

আস্তিকতা বনাম নাস্তিকতা কোনটা অধিক যৌক্তিক?

Image
 অক্সফোর্ড ডিকশনারী অনুযায়ী ব্রড সেন্সে নাস্তিকতার সংজ্ঞা হলো অতিপ্রাকৃত কোনোকিছুর অস্তিত্বের প্রতি অবিশ্বাস, কিংবা স্রষ্টা বা ঈশ্বর আছে এই বিশ্বাসকে প্রত্যাখ্যাত করাই হলো নাস্তিকতা। নাস্তিকতা শুরুর আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগের প্রি সক্রেটিয়ান ফিলোসফারদের হাত ধরে। যাদের মধ্যে ডেমোক্রিটাস, এপিকুরাস, সেক্সটাস এম্পেরিকাস, লুক্রেটিউস প্রমুখ দার্শনিকরা উল্লেখযোগ্য। এবং এরা প্রায় প্রত্যেকেই বস্তুবাদ লালন করতেন। নাস্তিক্যবাদের মূল ভিত্তি হলো Ontological Naturalism বা সত্ত্বাতাত্ত্বিক প্রকৃতিবাদ। Created Ontological Naturalism অনুযায়ী যা কিছু অস্তিত্বে বিদ্যমান এলিমেন্টস, প্রিন্সিপাল সবকিছুই কেবল বস্তুর সমষ্টি, বস্তু ব্যতীত কিছুই নয় এবং এগুলোকে বস্তু দ্বারাই ব্যাক্ত করা যাবে। অস্ট্রেলিয়ান দার্শনিক গ্রাহাম অপির মতে ন্যাচারালিজমের পক্ষে কথা বলা এবং নাস্তিকতার পক্ষে যুক্তি প্রদান করা দুটোই এক যেহেতু মেটাফিজিক্যাল ন্যাচারালিজম আস্তিকতার বিপক্ষে কাজ করে। (১) মেটাফিজিক্যাল ন্যাচারালিজম বেশ বড়সড় একটি ডক্ট্রিন, এটাতে ফিজিক্যালিজম (ভৌতবাদ), ম্যাটেরিয়ালিজম (বস্তুবাদ) ইত্যাদি নানান মতবাদ রয়েছে য...

অমনিপটেন্ট প্যারাডক্স, লজিক্যাল ইউথ্রাইফো ডিলেমা & গড।

Image
লজিক হলো বিদ্যমান সবকিছুর অস্তিত্ব এবং অস্তিত্বের ব্যাখ্যা বা রিজনিং। ফিলোসোফি এবং লজিকে ল অফ থট হলো ফান্ডামেন্টাল এক্সিওমেটিক রুলস যার উপর ভিত্তি করে আমরা চিন্তা, আলোচনা ইত্যাদি করে থাকি। ল অফ থটের লজিক গুলো নেসেসারি এবং লজিক ও আমাদের অস্তিত্ব এবং রিজনিং এর ক্ষেত্রে নেসেসারি। [১]  স্রষ্টার অমনিপটেন্ট এট্রিবিউট এর এগেইন্সটে প্রচলিত প্যারাডক্সটি হচ্ছে অমনিপটেন্ট প্যারাডক্স। যা বলে " স্রষ্টা কি এমন একটি ভারী পাথর তৈরি করতে পারবেন কিনা যা তিনি নিজেই তুলতে পারবেন না? "  Google photo  এখানে গড যেকোনো একটা করলেও তিনি আর অমনিপটেন্ট থাকেন না। যেমন তিনি যদি এমন ভারী পাথর তৈরি করতে পারেন যা তিনি তুলতে পারবেন না তবে তিনি অমনিপটেন্ট নন, আবার এমন পাথর তৈরি করতে না পারলেও তিনি অমনিপটেন্ট নন। এমন আরও কিছু উদাহরণ টানা যায় যেমন গড মিথ্যা বলতে পারবেন কিনা, পাপ করতে পারবেন কিনা ইত্যাদি। এই প্যারাডক্স এর সাথে সমস্যা হচ্ছে এগুলোর প্রায় প্রতিটি লজিক্যাল ইম্পসিবিলিটি কমিট করে। লজিক্যাল ইনকন্সিস্টেন্সি হচ্ছে এমন কিছু যা স্ববিরোধী ফলে নেসেসারিলি সেগুলো ফলস। [২] গডের অমনিপটেন্ট ডিফাইন করা হ...

দার্শনিকদের মতামত কি নাস্তিকতা যৌক্তিক হওয়ার প্রমাণ?

Image
কিছু নাস্তিক ( সবাই নয়) দার্শনিকদের অবস্থানের ভিত্তিতে কোনো একটি মত কিংবা দৃষ্টিভঙ্গিকে অধিক যৌক্তিক হিসেবে দাবি করে থাকে। যেমন একাডেমিয়ার অধিকাংশ দার্শনিক নাস্তিক যার দলে নাস্তিকতা একটি ওয়ার্ল্ডভিউ হিসেবে আস্তিকতা কিংবা অন্যান্য ওয়ার্ল্ডভিউ এর তুলনায় অধিক যৌক্তিক। আসলেই কি তাই? বিস্তারিত জানা যাক। Own creation  ফিলপেপার সার্ভে ফিলোসফারদের নিয়ে করা অন্যতম এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি সার্ভে। ফিলপেপার সার্ভে মূলত দুজন দার্শনিক ডেভিড বোর্গেট এবং ডেভিড চালমার্স এর পরিচালিত একটি প্রজেক্ট যেখানে বিশ্বব্যাপী ২০০০ ইংরেজি প্রফেশনাল দার্শনিকদের প্রায় ১০০ টি ফিলোসফিক্যাল প্রশ্নের উপর তাদের মতামত নেয় এবং মুল্যায়ন করে৷ প্রথম ফিলপেপার সার্ভে শুরু হয় ২০০৯ সালে। পরবর্তীতে ২০০৯ এর সার্ভের পর মেটাসার্ভে শুরু হয়। এবং এর ফলাফল প্রথম উপস্থাপন করা হয় ফিলপেপার ওয়েবসাইটে এবং পরবর্তীতে এর ফলাফল প্রকাশ করা হয় Philosophical Studies জার্নালে। [১]  ফিলপেপার সার্ভের মধ্যে প্রশ্ন ছিলো প্রায় ত্রিশের অধিক এবং ফিল্ডে অভিজ্ঞ এবং অনভিজ্ঞ সকল দার্শনিকদের মতামত একত্রে হিসেব করা হয়েছিলো। ফিলপেপার সার্ভে তে দেখা...

কালাম কসমোলজিক্যাল আর্গুমেন্ট ( প্রারম্ভিক সূচনা)

Image
 ন্যাচারাল থিওলজিতে কসমোলজিক্যাল আর্গুমেন্ট বা বিশ্বতাত্ত্বিক যুক্তি হলো cosmos বা জগতের জ্ঞান কে (logos) কাজে লাগিয়ে যুক্তির মাধ্যমে স্রষ্টার অস্তিত্ব কে খোজার চেষ্টা। বিশ্বতাত্ত্বিক যুক্তির আলোকে কার্যকারণ (causation), ব্যাখ্যা (explanation), পরিবর্তন (change), গতি (motion) , নির্ভরযোগ্যতা (contingency) এছাড়াও সমগ্র বাস্তুজগতের সসীমতার উপর ভিত্তি করে একজন স্রষ্টার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা সম্ভব। Kalam Cosmological Argument (KCA) মূলত কসমোলজিক্যাল আর্গুমেন্ট এর মডিফাইড ভার্সন। কালাম নামটা এসেছে মধ্যযুগীয় ইসলামিক স্কলাস্টিসিজমের মধ্যে দিয়ে।  হিস্ট্রি: কালাম কসমোলজিক্যাল আর্গুমেন্ট এসেছে 'প্রাইম মুভার' বা 'unmoved mover' অর্থাৎ কারণবিহীন কারণের ধারণা থেকে। এরিস্টটল তার 'physics' বইয়ের চ্যাপ্টার ৮ এবং 'metaphysics' বইয়ের চ্যাপ্টার ১২ তে prime mover নিয়ে আলোকপাত করেছেন। '' তার মতে, জগতের সম্পূর্ণতা এবং সুশৃঙ্খলার জন্য একজন অমর, অনন্ত, অপরিবর্তনীয় একজন থাকবেন যিনি আল্টিমেটলি এই জগতের অস্তিত্বের কারণ ''।[১] পরবর্তীতে বাইজেন্টাইন গ্রিক ফিলোসোফার...

স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রমাণের দায় এবং নাস্তিকতার যৌক্তিকতা

Image
 জগতের কিছু মানুষ বিশ্বাস করে স্রষ্টার অস্তিত্ব রয়েছে। এমন কেউ রয়েছেন যিনি আল্টিমেটলি আমাদের এই মহাবিশ্বকে সৃষ্টি করেছেন। এই মতবাদকে আস্তিক্যবাদ বলা হয়। অন্যদিকে এর বিপরীতকে বলা হয় নাস্তিক্যবাদ। নাস্তিক্যবাদ অনুযায়ী কোনো স্রষ্টার অস্তিত্ব নেই কিংবা কোনো অতিপ্রাকৃত সত্ত্বার অস্তিত্বই নেই। আস্তিক নাস্তিক ডিসকোর্সে বেশ প্রচলিত একটি কথা হচ্ছে বার্ডেন অফ প্রুফ কার জন্য হবে। বেশ কিছু নাস্তিক মনে করে থাকে' স্রষ্টার অস্তিত্ব নেই ' এই বাক্যটি সত্য কারণ স্রষ্টার অস্তিত্বের পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই। আসলেই কি তাই?  বিষয়টা গোড়া থেকে বোঝা যাক। স্রষ্টার অস্তিত্বের জন্য বার্ডেন অব প্রুফ বা সর্বদাই আস্তিকদের উপর কিছু ক্ষেত্রে এ কথা সত্য। তবে 'স্রষ্টা অস্তিত্ব নেই' কারণ তাঁর অস্তিত্বের জন্য প্রমাণ নেই এটি ভুল। ১. Burden of proof [ প্রমাণের দায়] বার্ডেন অব প্রুফ [ ল্যাটিনে: onus probandi] মূলত একটি থিসিস যা বলে যে কোনো কিছু দাবি করবে প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপর বর্তাবে। কোনো কিছু দাবি করলে তার সত্যতা প্রমাণ ও দাবীকারীকেই প্রোভাইড করতে হবে। কোনো ডিসকাশনে একজন ব্যক্তি যদি কোনো কিছু দাবি করে...

প্রকৃতিবাদের স্ববিরোধ

Image
 প্রকৃতিবাদ এবং বস্তুবাদের মধ্যে পার্থক্য মূলত এক হাত, এই এক হাতের দৈর্ঘ্য আবার এক হাতের সমান না। যাইহোক দর্শনে প্রকৃতিবাদ একটি স্বতন্ত্র মতবাদ। প্রকৃতিবাদের ধরন অনুযায়ী এটি তিন ধরনের। অধিবিদ্যাগত প্রকৃতিবাদ অনুযায়ী এই চারপাশের কাঠ খোট্টা জগৎ টাই একমাত্র বাস্তবতা এর বাইরে কিছুই নাই, নাথিং। অন্টোলজিক্যাল প্রকৃতিবাদ বা সত্ত্বাতাত্ত্বিক প্রকৃতিবাদ অনুযায়ী যা অস্তিত্বে ছিলো, আছে তা সবই হলো প্রকৃতির জিনিসপাতি যেমন শক্তি এবং বস্তু। আবার পদ্ধতিগত প্রকৃতিবাদ অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে ফলাফল কেবলই জাগতিক ফলাফলই আসবে, মামাবাড়িতে বসে খালুর কথা একেবারেই বলা যাবেনা, একদম নিষিদ্ধ। কোনো কথা নাই, টু শব্দটিও নয়, চুপ। এতো গেল প্রকৃতিবাদের কথা৷ বস্তুবাদের পরিচয় হলো বস্তুই একমাত্র, ফান্ডামেন্টাল। বস্তুর বাইরে কিছু নাই, এলাকা তার, সে এলাকার ব্যাস। আর কোনো কথা হবে না। অর্থাৎ বস্তুবাদ হলো সামগ্রিক প্রকৃতিবাদের ভাগ্নের মতো, ছোট মানুষ তবে ঝাল বেশি।  প্রকৃতিবাদ সত্য নাকি মিথ্যে এটা নিয়ে গবেষণার আগে এটা নিয়ে গবেষণা করা দরকার যে প্রকৃতিবাদ নিজে আসলে বস্তু কিংবা স্রেফ প্রকৃতি কিনা। প্রকৃতিবাদ জিনি...

হিলবার্ট হোটেল প্যারাডক্স এবং জগতের অসীমতা

Image
ডেভিড হিলবার্ট বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা গনিতবিদ। তিনি Transfinite numbers কে ব্যাখ্যার সুবিধার্তে Über das Unendliche" নামক এক কনফারেন্সে ইনফিনিট গ্র‍্যান্ড হোটেলের একটি এনালজি উপস্থাপন করেন৷ যা পরবর্তীতে হিলবার্ট হোটেল নামে পরিচিতি পায়। তার এনালজি টা বাস্তব জগতে অসীমতার ব্যবহার এর অযৌক্তিকতা তুলে ধরে। (১)  Hilbert hotel : Google photo  ১/ মনে করুন একটি অসীম সংখ্যক রুমের একটি হোটেল রয়েছে এবং সেই হোটেলের প্রতিটি রুম অসীম সংখ্যক মানুষ দ্বারা পূর্ণ। আমরা এই হোটেলের নাম দিলাম ইনফিনিট গ্র‍্যান্ড হোটেল। তো একদিন বিকেলে রিসেপশনিস্ট এর কাছে একজন নতুন গেস্ট আসলেন তার একটা রুম প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের হোটেলের অসীম সংখ্যক রুম তো অসীম সংখ্যক গেস্ট দ্বারা পূর্ণ তাহলে? আমাদের রিসেপশনিস্ট যথেষ্ট বুদ্ধিমতী। তিনি n+1 সংখ্যক করে গেস্ট শিফট করতে থাকলেন অর্থাৎ রুম #১ এর গেস্ট গেলেন রুম #২ এ, রুম #২ থেকে রুম #৩ এভাবে অসীম পর্যন্ত। যেহেতু এই অসীম সংখ্যক রুম সম্বলিত হোটেলের কোনো শেষ রুম নেই তবে একটি নেক্সট রুম সবসময়ই রয়েছে। সুতরাং ১ নম্বর রুমটি খালি হয়ে গেল। রিসেপশনিস্ট নতুন গেস্ট কে জায়গা করে দিলেন।...

God Father Dilemma: A simple refutation

যখন সকল মানুষ কাফের হয়ে যাবে, কোনো মুসলিম বিদ্যমান থাকবেনা তখন কেয়ামত সংঘটিত হবে। শয়তান যখন সবাইকে পথভ্রষ্ট করে ফেলে তাহলেই কেয়ামত হবে, এখন শয়তান যদি চায় সে আর মানুষকে পথভ্রষ্ট করবে না তাহলে কেয়ামত কিভাবে ঘটবে? এক্ষেত্রে কেয়ামত ঘটানোর জন্য আল্লাহ তায়ালা কি শয়তানের উপর নির্ভরশীল? কিংবা নবী রাসুল যে তাদের কওমদের হেদায়াতের জন্য প্রেরিত হতেন শয়তান পথভ্রষ্ট না করলে তো তারা হেদায়েত এর জন্য আসতেন না তবে কি নবী রাসুলগণের কাজটাও শয়তানের 'evil act' এর উপর নির্ভরশীল?  যদি তা না হয়, সবই আল্লাহর ইচ্ছেতে ঘটে থাকে তবে আল্লাহই কি আমাদের খারাপ বানান? শয়তানের গডফাদার কি তিনিই? ( নাউযুবিল্লাহ)  God Father Dilemma নিয়ে নতুন একটি ভিডিও: 

Responding the criticism of contingency argument-2

 নেসেসারি বিয়িং এর জন্য কন্টিনজেন্ট ফ্যাক্ট তৈরি করা কি লজিক্যালি ইম্পসিবল?   গত পর্বের লিংক:  responding the criticism of contingency argument Co-author Dr Fatema Amijee ( University of British Columbia)  সমস্যা: কন্টিনজেন্সি আর্গুমেন্ট নিয়ে প্রচলিত একটি ছোট সমস্যা হচ্ছে স্রষ্টার নেসেসিটির সাথে জগতের সম্ভাব্যতার দ্বন্দ্ব। যদি একজন সম্পূর্ণ এবং সম্পূর্ণরুপে অনিবার্য অস্তিত্বশীল স্রষ্টা থাকেন, যিনি টাইমলেস এবং মহাবিশ্বের উর্ধ্বে তবে তার দ্বারা সম্ভাব্য কোনো কিছু আসা কিভাবে সম্ভব? (১) ডেফিনিশন অনুযায়ী কোনো সম্ভাব্য অস্তিত্বের আসল কারণ কি সম্ভাব্য অস্তিত্ব নয়? আরও বিশদভাবে বলা যায়, যদি স্রষ্টা সম্পূর্ণরুপে নেসেসারি হয় তবে তার প্রত্যেকটা কাজ (act) ও অবশ্যই নেসেসারি হবে এই অর্থে মহাবিশ্বের সৃষ্টি যা স্রষ্টা কর্তৃককৃত একটি কাজ, এটিকে কোনোভাবে কোনো সেন্সে সম্ভাব্য বলা যায়না। এখন যদি সৃষ্টি একটি নেসেসারি ফ্যাক্ট হয় তবে এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল জিনিস নেসেসারি হবে এক কথায় আল্টিমেটলি সম্ভাব্য অস্তিত্ব বলে কিছু থাকা সম্ভব না। আবার কোনো কিছু অস্তিত্বে এসেছে আবার নাও আসতে ...

responding the critics on contingency argument-1

গত পর্ব:  নেসেসারি বিয়িং স্রষ্টার অস্তিত্ব নিয়ে অন্যতম একটি সেরা আর্গুমেন্ট হচ্ছে কন্টিনজেন্সি আর্গুমেন্ট বা ডিপেন্ডেন্সি আর্গুমেন্ট। বেশ কিছু প্রমিনেন্ট ফিলোসফাররা এর বিপক্ষে কিছু যুক্তি দিয়ে থাকেন। তন্মধ্যে ফ্যালাসি অফ কম্পোজিশন, ইনফিনিট রিগ্রেস এসব নিয়ে আলোচনা আমরা শুরুর দিকেই ক্লিয়ার করেছি। তবে Bootstrapping আর্গুমেন্টটি মোটামুটি সমসাময়িক সময়ের জন্য কিছুটা বিস্তারিত ক্রিটিক।  ১. নির্ভরশীল রিয়েলিটির অস্তিত্বের কারণ হয় কন্টিনজেন্ট বা নেসেসারি। তবে- যদি কন্টিনজেন্ট রিয়েলিটির অস্তিত্বের কারণ কন্টিনজেন্ট হয় তবে এটি সার্কুলার হয়ে যায় যা রিগ্রেস তৈরি করে। যা অসম্ভব।  ২. আবার যদি কন্টিনজেন্ট রিয়েলিটির অস্তিত্বের কারণ যদি নেসেসারি ফ্যাক্ট হয় তবে সেটার ইফেক্ট অর্থাৎ এই কন্টিনজেন্ট রিয়েলিটিও নেসেসারি হওয়ার কথা - কিন্তু তা হয়নি।  যার ফলে কন্টিনজেন্ট রিয়েলিটির কোনো কারণ থাকতে পারে না।  এই ক্রিটিকের রিফর্মেশন আকারে আরেকটি ক্রিটিক আছে পিটার ভ্যান ইন ওয়াগেনের। সেটা হচ্ছে নেসেসারি বিয়িং এর ইফেক্ট ও নেসেসারি হবে অর্থাৎ মহাবিশ্বও নেসেসারি হবে। বিষয়টা হচ্ছে এমন যে যদি গড মহাবিশ...

নেসেসারি বিয়িং থেকে একজন স্রষ্টা

Image
 নেসেসারি বিয়িং এবং একজন স্রষ্টা  আগের পর্ব:  বিগব্যাং এবং মহাবিশ্ব own  আর্গুমেন্ট ফ্রম কন্টিনজেন্সি।  P1: Everything that exists has an explanation of its existence. (Either it exists by its own nature or some external reason)  P2: The universe exists.  P3: therefore, the universe has an explanation of It's existence.  P4: That explanation is either explained by its own nature or some external thing.  P5: Universe can fail to exist, therefore the explanation of the existence of the universe is an external explanation. Conclusion: The explanation is a necessary Being. ( God exist)   P1: Everything that exists has an explanation of its existence. (Either it exists by its own nature or some external reason)  প্রেমিস ১ এনালাইসিস করলে দেখা যাবে যা কিছু অস্তিত্বে রয়েছে সবকিছুর একটি ব্যাখ্যা বা কারণ বিদ্যমান। আমরা পূর্বের Principle of sufficient reason (PSR) নিয়ে আলোচনায় এ বলে বিস্তারিত আলোচনা করেছি এবং দেখিয়েছি causal explanation ...

বিগব্যাং এবং মহাবিশ্ব

Image
 বিগব্যাং এবং মহাবিশ্ব  আগের পর্ব:  ইনফিনিট রিগ্রেস জর্জ লেমাইত্রে ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে এক পেপার লিখলেন। ‘উন উনিভার্স হোমোজিন দ্য মাস কনস্ট্যান্ট এত দ্য রেয় ক্রোয়সা, রেদাঁ কোম্প দ্য লা ভিতেস রাদিয়াল দেস নেবুলিয়াসেস এক্সট্রা-গালাকতিকেস’। ফরাসি ভাষায় লেখা পেপার। অর্থ ‘অপরিবর্তনীয় ভর এবং ক্রমবর্ধমান ব্যাসার্ধের সুষম ব্রহ্মাণ্ডের আলোকে গ্যালাক্সি-বহির্ভূত নক্ষত্রপুঞ্জদের দূরত্ববৃদ্ধির ব্যাখ্যা’। প্রবন্ধটি ছাপা হল ‘অ্যানাল্‌স দ্য লা সোসাইতে সায়েন্তিফিক দ্য ব্রাসেলস’ জার্নালে। পেপারটির প্রতিপাদ্য স্পষ্ট। এক-একটা গ্যালাক্সি কত স্পিডে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, তা এখান থেকে তার দূরত্বের সমানুপাতিক। মানে, যে গ্যালাক্সি যত দূরে, সে সরে যাচ্ছে তত বেশি বেগে। দুটো গ্যালাক্সি। পৃথিবী থেকে দুটোর দূরত্ব যথাক্রমে ৩০ লক্ষ এবং ৬০ লক্ষ আলোকবর্ষ। প্রথমটা যদি পৃথিবী থেকে প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ কিলোমিটার দূরে চলে যায়, তবে দ্বিতীয়টা যাবে প্রতি সেকেন্ডে ১০০০ কিলোমিটার। এই নিয়মটারই নাম ‘হাব্‌ল সূত্র’। কেন? বললেন লেমাইত্রে, তবু নামের মধ্যে হাব্‌ল এলেন কোথা থেকে? এ প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞানের সমাজতত্ত্বে। ল...

ইনফিনিট রিগ্রেস - অসীমের দিকে প্রত্যাবর্তন

Image
 ইনিফিনিট রিগ্রেস:  আগের পর্ব:  সম্ভাব্য বাস্তবতা ইনফিনিট রিগ্রেস বলতে বোঝায় অসীমের প্রত্যাবর্তন। বা বারবার অসীমের দিকে ফিরে আসা। অসীম সংখ্যক কোনো সিরিজের রিগ্রেসকেই মূলত ইনফিনিট রিগ্রেস বলা হয়। আমাদের মহাবিশ্ব যেহেতু আমাদের টোটাল রিয়েলিটি সেক্ষেত্রে আমাদের মহাবিশ্ব কন্টিনজেন্ট সেটা আমরা উপরে জেনেছি। এবং মহাবিশ্ব যুক্তিসঙ্গতভাবেই নির্ভরশীল এর জন্য অন্যান্য বৈজ্ঞানিক এবং ফিলোসফিক্যাল আর্গুমেন্ট থাকলেও তা দেখানোর তেমন প্রয়োজন নেই। যদি এমনটা হয় আমাদের মহাবিশ্বের অস্তিত্বের জন্য অন্য একটি মহাবিশ্ব দায়ী এবং এভাবে p`1, p`2, p`3....... Ad infinitum। অর্থাৎ অসীম সংখ্যক মহাবিশ্ব একটি আরেকটির উপর নির্ভরশীল। এক্ষেত্রে কি মহাবিশ্বের অস্তিত্বের জন্য তার নিজস্ব ব্যাখ্যা যথেষ্ট? মূলত না, যেমন ধরুন একটি রুলার কন্টিনজেন্ট একটি বস্তু, এখন এই রুলারকে যদি অসীম সংখ্যক ভাবে ভাগ করা হয় তাহলেও এর প্রত্যেকটি অংশ একে অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকবে আবার দেখা যাবে সম্পূর্ণ রুলারটিও কিন্তু কন্টিনজেন্ট সেক্ষেত্রে যদি অসীম সংখ্যক মহাবিশ্ব থেকে থাকে তাহলে সেই অসীম সংখ্যক মহাবিশ্বের সেট ও কন্টিনজেন্ট ই হবে ...